সকালবেলার অভ্যাসগুলোই আমাদের সারাদিনটা কেমন কাটবে তা ঠিক করে দেয়। অথচ আমাদের মধ্যে বেশিরভাগই ঘুম থেকে ওঠার ঠিক পরেই কী খাচ্ছি তা নিয়ে খুব কম ভাবি। সারারাত পেট খালি থাকার পর শরীর খাবার গ্রহণ করার জন্য আরও বেশি প্রস্তুত থাকে।
- জাবির সমাজবিজ্ঞান অনুষদের নতুন ডিন শরিফুল হুদা
- * * * *
- বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অবদান অব্যাহত থাকবে: প্রধানমন্ত্রী
- * * * *
- যুবদল নেতা লুৎফর রহমান বহিষ্কার
- * * * *
- পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
- * * * *
- মাসুদ কামালের বক্তব্যের নিন্দা চিকিৎসক সংগঠনগুলোর
- * * * *
ডাবের পানি
যখন গরম চরমে ওঠে, তখন আমরা বেশিরভাগই ঠান্ডা ও সতেজকারক কিছুর দিকে হাত বাড়াই।
ডাবের পানি প্রাকৃতিকভাবে শরীর ঠান্ডা রাখে। প্রতিদিন ডাবের পানি পান করলে তা রাতারাতি নয়, বরং ধীরে ধীরে কাজ করে এবং শরীর সুস্থ রাখতে নানাভাবে সহায়তা করে। প্রতিদিন ডাবের পানি পান করলে এক মাসের মধ্যে শরীরে পানির পরিমাণ, হজম এবং শক্তির মাত্রা সম্পর্কিত ছোট ছোট অভ্যন্তরীণ পরিবর্তনগুলো প্রকাশ পেতে শুরু করবে।
শীতকালে অনেকেই ডাবের পানি খেতে চান না এই ভয়ে যে, শীতে ডাবের পানি খেলে ঠাণ্ডা লেগে যাবে। কিন্তু এটা শুধুই ধারণা। বরং, শীতকালে বেশ উপযোগী ডাবের পানি। এই পানীয় শুধু শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে না, বরং আরো নানা উপকারিতা এনে দেয়।
শীতকালে অনেকেই ডাবের পানি খান না। অনেকের ধারণা, শীতে ডাবের পানি খেলে ঠান্ডা লেগে যাবে। কিন্তু এটি ভ্রান্ত ধারনা। বরং শীতকালে ডাবের পানি খেলে অনেক উপকারিতা মিলবে।
ডাবের পানি খেতে পছন্দ করেন না, এমন কেউ কি আছেন? সুস্বাদু এই প্রাকৃতিক পানীয় আমাদের মুহূর্তেই প্রাণবন্ত করতে কাজ করে।
ভরা শরৎকালেও বৃষ্টি কমছে না, যার ফলে ঘরে ঘরে জ্বর, সর্দিকাশি এবং পেট খারাপের সমস্যা বাড়ছে। আবার যখন রোদ ওঠে, তখন তা থাকে খুবই চড়া। পেট খারাপ হোক বা অতিরিক্ত রোদ—যেকোনো সময়ই জলশূন্যতা (ডিহাইড্রেশন) দেখা দিতে পারে।
গরমে ক্লান্তি কাটাতে ঠান্ডা ডাবের পানি অনেকের প্রথম পছন্দ।
গরমে হাঁপাচ্ছে দেশবাসী। তাপমাত্রা ভোগাচ্ছে সবাইকে। রোদের কারণে ত্বকে দেখা দিচ্ছে লালচে ভাব। অনেকের ত্বকে পড়ছে কালচে ছোপও। যারা প্রতিদিন বাইরে বের হন তাদের হাত বা মুখের যে অংশে রোদ বেশি লাগছে সেখানে হচ্ছে ফুসকুড়িও।
প্রচণ্ড গরমে ক্লান্ত হয়ে আমরা প্রায়ই দোকান থেকে কিনে নিই চিনিযুক্ত নানা পানীয়। এগুলো তাৎক্ষণিক শক্তি এবং হাইড্রেশন বৃদ্ধি করলেও শরীরের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ হয়ে যায়।